Dhaka , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রোনালদোর বিদায় এত সহজে হতে দেবে না পর্তুগাল কংগ্রেসে হারের মাধ্যমে কি ট্রাম্পের শেষের শুরু হয়ে গেল বড়দিন উপলক্ষে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরের কালশীতে এক পুলিশকে ঘিরে ধরে মারধর করেন কয়েকজন, জানালেন প্রত্যক্ষদর্শীরা মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ পরলোকগত ভক্তবৃন্দের স্মরণ দিবস: বিশ্বাস, প্রার্থনা ও চিরন্তন আশার এক বিশেষ দিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্প কি কংগ্রেসে (সংসদে) নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবেন? রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আবার অবরোধ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়ছে, বেসরকারি খাতেও কি মিলবে এ সুবিধা

রিপোর্ট: নীড় সংবাদ ডেস্ক

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন আসন্ন মন্ত্রিসভায় এর অনুমোদন নিয়ে ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। ফলে এবার দুর্গাপূজায় সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা।

প্রশ্ন উঠেছে, এই ছুটি কি কেবল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই ভোগ করবেন, নাকি বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীরাও এর আওতায় আসবেন।

ছুটির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ছুটির প্রজ্ঞাপন ও বেসরকারি খাতও এই ছুটির আওতায় থাকবে কি না, সে বিষয়ে আজ বুধবার কথা হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এটি বড় সিদ্ধান্ত, তাই মন্ত্রিসভার অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের আগে প্রজ্ঞাপন জারির সুযোগ নেই। আশা করা হচ্ছে, আগামী মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হবে এবং তারপর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এই ছুটি বেসরকারি খাত, অর্থাৎ বেসরকারি ব্যাংক, কলকারখানা ইত্যাদির জন্যও প্রযোজ্য হবে কি না, তা জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, এটি জাতীয় ছুটি। তাই এটি সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস—সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ ছুটির সময় সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

অবশ্য এ ধরনের ছুটির ক্ষেত্রে সব সময়ই জরুরি পরিষেবা, যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ-সংশ্লিষ্ট সেবাকাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এর আওতাবহির্ভূত থাকেন। এ ছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী, ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকে।

এ ধরনের ছুটি হলে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়। আর আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। যখন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে, তখন এসব বিষয় স্পষ্ট করে উল্লেখ করে দেওয়া হয়।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এরপর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। আর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ২২ অক্টোবর ছুটির সিদ্ধান্ত হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি হবে।

কয় ধরনের ছুটি আছে, পার্থক্য কী

সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে ছুটিসহ বিভিন্ন রকমের ছুটি আছে। প্রশ্ন হলো, সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে পার্থক্য কী?

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, সাধারণ ছুটি হলো সেটি, যেটি মূলত উদ্‌যাপন বা পালনের জন্য করা হয়। এটি সর্বজনীন, সবার জন্যই প্রযোজ্য। যেমন পবিত্র ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, বিজয়ী দশমী, বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা), বড়দিন, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, মহান বিজয় দিবস, মে দিবস ইত্যাদি। ২০২৬ সালের ছুটির তালিকায় এ রকম ছুটি আছে ১৪ দিন।

আর সরকার নির্বাহী আদেশে যে সরকারি ছুটি দেয়, তা মূলত নির্দিষ্ট শ্রেণির লোকদের জন্য। ঈদের আগে-পরে নির্বাহী আদেশে এমন সরকারি ছুটি দেওয়া হয়।

যেমন এ বছরের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এরপর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। এখন ২২ অক্টোবরও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ দুর্গাপূজার শেষ হওয়ার পরদিন এই ছুটি।

নির্বাহী আদেশে ছুটি সাধারণত সরকারি, আধা সরকারি, সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হয়। যদিও ইদানীং সরকার ছুটির প্রজ্ঞাপনে বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি নিজস্ব আইনকানুন দিয়ে চলে (যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক) অথবা যেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকরি সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেগুলো নিজস্ব আইনকানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এই ছুটি ঘোষণা করে।

অবশ্য বাস্তব অভিজ্ঞতা হলো, ছুটি সরকার যে কয় দিন নির্ধারণ করে, সাধারণত অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও তা অনুসরণ করে।

সাধারণ ও নির্বাহী—এ দুই ধরনের ছুটির বাইরেও আছে ঐচ্ছিক ছুটি। এটি মূলত ধর্মীয় পর্ব অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন নেওয়ার সুযোগ আছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, একজন কর্মচারীকে তাঁর নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে অনধিক তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।  কোন ধর্মের কোন পর্বগুলোয় এই ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়া যাবে, সেটিও বার্ষিক ছুটির পঞ্জিতে উল্লেখ করে দেওয়া হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়ছে, বেসরকারি খাতেও কি মিলবে এ সুবিধা

Update Time : ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন আসন্ন মন্ত্রিসভায় এর অনুমোদন নিয়ে ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। ফলে এবার দুর্গাপূজায় সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা।

প্রশ্ন উঠেছে, এই ছুটি কি কেবল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই ভোগ করবেন, নাকি বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীরাও এর আওতায় আসবেন।

ছুটির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ছুটির প্রজ্ঞাপন ও বেসরকারি খাতও এই ছুটির আওতায় থাকবে কি না, সে বিষয়ে আজ বুধবার কথা হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এটি বড় সিদ্ধান্ত, তাই মন্ত্রিসভার অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের আগে প্রজ্ঞাপন জারির সুযোগ নেই। আশা করা হচ্ছে, আগামী মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হবে এবং তারপর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এই ছুটি বেসরকারি খাত, অর্থাৎ বেসরকারি ব্যাংক, কলকারখানা ইত্যাদির জন্যও প্রযোজ্য হবে কি না, তা জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, এটি জাতীয় ছুটি। তাই এটি সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস—সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ ছুটির সময় সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

অবশ্য এ ধরনের ছুটির ক্ষেত্রে সব সময়ই জরুরি পরিষেবা, যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ-সংশ্লিষ্ট সেবাকাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এর আওতাবহির্ভূত থাকেন। এ ছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী, ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকে।

এ ধরনের ছুটি হলে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়। আর আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। যখন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে, তখন এসব বিষয় স্পষ্ট করে উল্লেখ করে দেওয়া হয়।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এরপর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। আর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ২২ অক্টোবর ছুটির সিদ্ধান্ত হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি হবে।

কয় ধরনের ছুটি আছে, পার্থক্য কী

সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে ছুটিসহ বিভিন্ন রকমের ছুটি আছে। প্রশ্ন হলো, সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে পার্থক্য কী?

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, সাধারণ ছুটি হলো সেটি, যেটি মূলত উদ্‌যাপন বা পালনের জন্য করা হয়। এটি সর্বজনীন, সবার জন্যই প্রযোজ্য। যেমন পবিত্র ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, বিজয়ী দশমী, বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা), বড়দিন, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, মহান বিজয় দিবস, মে দিবস ইত্যাদি। ২০২৬ সালের ছুটির তালিকায় এ রকম ছুটি আছে ১৪ দিন।

আর সরকার নির্বাহী আদেশে যে সরকারি ছুটি দেয়, তা মূলত নির্দিষ্ট শ্রেণির লোকদের জন্য। ঈদের আগে-পরে নির্বাহী আদেশে এমন সরকারি ছুটি দেওয়া হয়।

যেমন এ বছরের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এরপর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। এখন ২২ অক্টোবরও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ দুর্গাপূজার শেষ হওয়ার পরদিন এই ছুটি।

নির্বাহী আদেশে ছুটি সাধারণত সরকারি, আধা সরকারি, সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হয়। যদিও ইদানীং সরকার ছুটির প্রজ্ঞাপনে বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি নিজস্ব আইনকানুন দিয়ে চলে (যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক) অথবা যেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকরি সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেগুলো নিজস্ব আইনকানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এই ছুটি ঘোষণা করে।

অবশ্য বাস্তব অভিজ্ঞতা হলো, ছুটি সরকার যে কয় দিন নির্ধারণ করে, সাধারণত অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও তা অনুসরণ করে।

সাধারণ ও নির্বাহী—এ দুই ধরনের ছুটির বাইরেও আছে ঐচ্ছিক ছুটি। এটি মূলত ধর্মীয় পর্ব অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন নেওয়ার সুযোগ আছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, একজন কর্মচারীকে তাঁর নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে অনধিক তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।  কোন ধর্মের কোন পর্বগুলোয় এই ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়া যাবে, সেটিও বার্ষিক ছুটির পঞ্জিতে উল্লেখ করে দেওয়া হয়।