Dhaka
,
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রোনালদোর বিদায় এত সহজে হতে দেবে না পর্তুগাল
কংগ্রেসে হারের মাধ্যমে কি ট্রাম্পের শেষের শুরু হয়ে গেল
বড়দিন উপলক্ষে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
মিরপুরের কালশীতে এক পুলিশকে ঘিরে ধরে মারধর করেন কয়েকজন, জানালেন প্রত্যক্ষদর্শীরা
মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
পরলোকগত ভক্তবৃন্দের স্মরণ দিবস: বিশ্বাস, প্রার্থনা ও চিরন্তন আশার এক বিশেষ দিন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্প কি কংগ্রেসে (সংসদে) নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবেন?
রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আবার অবরোধ
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাঝেই মোদির নতুন ঘোষণা
ভারতে প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারিকে কেন্দ্র করে রাজধানী জুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং পার্লামেন্টে বিরোধীদের হট্টগোলের মধ্যে সে দেশের তরুণ সমাজের উদ্দেশ্যে নতুন বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আমাদের যুবসমাজের কল্যাণ এবং ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেন, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ বা দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এই পদক্ষেপকে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, যারা তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এর আগে গত মঙ্গলবার এক এনডিএ বৈঠকে প্রশ্নফাঁসকে ‘ঘোর পাপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন মোদি।
তবে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মোদির উদ্দেশে বলেন, আপনিই তরুণদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন। আপনি পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস ও দখলে উৎসাহিত করেছেন এবং এর পেছনে দায়ী প্রত্যেককে সুরক্ষা দিয়েছেন।
রাহুল গান্ধী শিক্ষার্থীদের দাবির কথা পুনরুল্লেখ করে তিনটি মূল দাবি তুলে ধরেন— ১. শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বরখাস্ত, ২. শিক্ষার্থীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা প্রার্থনা এবং ৩. আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
এর আগে গত বুধবার (২২ জুলাই) রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, গত ১০ বছরে ভারতে ১৫০টিরও বেশি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলেও একটি ঘটনাতেও কারো সাজা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর নতুন দ্রুত বিচার আদালতের সিদ্ধান্তকে মূলত এই দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুত সাজা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ও প্রধান বিরোধী দলগুলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অটল রয়েছে। পার্লামেন্টে এ বিষয়ে আলোচনার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে শর্ত হিসেবে উপস্থাপন করেছে বিরোধীরা। অন্যদিকে সরকার পক্ষ আলোচনায় রাজি থাকলেও বিরোধীরা শর্ত দিয়ে পার্লামেন্টের কার্যক্রম অচল করে রাখছে বলে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে।
খবর: এনডিটিভি
Tag :














