Dhaka , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পরলোকগত ভক্তবৃন্দের স্মরণ দিবস: বিশ্বাস, প্রার্থনা ও চিরন্তন আশার এক বিশেষ দিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্প কি কংগ্রেসে (সংসদে) নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবেন? রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আবার অবরোধ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ নেতানিয়াহুর পতন আসন্ন, জোট ছাড়ার ইঙ্গিত দিলো এক দল ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে নতুন নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন জারি বারোমারীতে ফাতেমা রাণীর মা মারীয়ার তীর্থোৎসব; মোমবাতির আলোয় ভাসল গারো পাহাড় ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর তুরাগ নদী থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্প কি কংগ্রেসে (সংসদে) নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবেন?

রিপোর্ট: নীড় সংবাদ ডেস্ক

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় প্রতি চার বছর পরপর। কিন্তু মেয়াদের মাঝপথে, অর্থাৎ দুই বছর পর নভেম্বরে মিডটার্ম ইলেকশন হয়। এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্টকে ভোট দেয়া হয় না। ভোট দেয়া হয় কংগ্রেস বা সংসদের দুটি কক্ষের সদস্য ও অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের। এ ভোটের মাধ্যমে হাউজ অব রিপ্রেজেনটিটিভ ও সিনেটে নতুন করে আসন পেতে পারেন অথবা হারাতে পারে ডেমোক্র্যাট অথবা রিপাবলিকানরা। ফলে দলের হাতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কি না, সেটিই নির্ধারণ হয় মর্ধবর্তী নির্বাচনে। এটার ওপর নির্ভর করে পরবর্তী দুই বছর কোন দল কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণ করবে এবং জাতীয় নির্বাচনে তার একটা প্রভাব থাকে।

 

প্রতিনিধি পরিষদ সদস্যদের মেয়াদ দুই বছর। ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের মোট ৪৩৫টি আসনেই ভোট হয়। উচ্চকক্ষ বা সিনেট সদস্যদের মেয়াদ ছয় বছর। প্রতি দুই বছর পরপর এই কক্ষের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে মেয়াদ পূর্ণ হ্ওয়ায় সেগুলোতে ভোট হয়। এবার সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে নির্বাচন হবে ৩৫টিতে। এরমধ্যে ৩৩টিতে মেয়াদপুর্তির নির্বাচন হবে। ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পদত্যাগে শূন্য হ্ওয়ায় এ দুটি আসনে উপ নির্বাচন। এ ছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর ও বিভিন্ন স্থানীয় পদের জন্যও ভোট দেবেন ভোটাররা।

 

বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ৪৩৫ আসনের মধ্যে বর্তমানে রিপাবলিকানদের দখলে ২১৮টি আসন, আর ডেমোক্র্যাটদের দখলে ২১৪টি আসন। প্রতিনিধি পরিষদে একজন স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া দুটি আসন শূন্য রয়েছে। ফলে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের এবার অন্তত চারটি আসন পেতে হবে।

 

অন্যদিকে সিনেটের ১০০ সদস্যের কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে সাধারণত ৫১টি আসন প্রয়োজন। বর্তমানে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের ৫৩ জন সদস্য রয়েছেন। আর ডেমোক্র্যাটদের সদস্য সংখ্যা ৪৫ জন। এ ছাড়া রয়েছেন দুজন স্বতন্ত্র সদস্য। এ কারণে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের চারটি আসন বাড়িয়ে ৫১টিতে পৌঁছাতে হবে। তবে ভোট সমান অর্থাৎ ৫০-৫০ হলে ভাইস প্রেসিডেন্টের একটি অতিরিক্ত ভোট দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। আর বর্তমান বাইক প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান দলের জে ডি ভানস। এবার সিনেটের ভোট হতে যা্ওয়া ৩৫টি আসনের মধ্যে ২২টি আসন ট্রাম্পের রিপাবলিকানদের এবং ১৩টি ডেমোক্র্যাটদের দখলে। ফলে ডেমোক্র্যাটদের নিজেদের ১৩টি আসন ধরে রাখার পাশাপাশি রিপাবলিকানদের দখলে থাকা কয়েকটি আসনও জিততে হবে।

 

সংবাদ বিশ্লষণ: পিন্টু হাজং, বার্তা সম্পাদক, একাত্তর টিভি 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ৭ ঘন্টা আগে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্প কি কংগ্রেসে (সংসদে) নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবেন?

Update Time : ৭ ঘন্টা আগে

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় প্রতি চার বছর পরপর। কিন্তু মেয়াদের মাঝপথে, অর্থাৎ দুই বছর পর নভেম্বরে মিডটার্ম ইলেকশন হয়। এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্টকে ভোট দেয়া হয় না। ভোট দেয়া হয় কংগ্রেস বা সংসদের দুটি কক্ষের সদস্য ও অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের। এ ভোটের মাধ্যমে হাউজ অব রিপ্রেজেনটিটিভ ও সিনেটে নতুন করে আসন পেতে পারেন অথবা হারাতে পারে ডেমোক্র্যাট অথবা রিপাবলিকানরা। ফলে দলের হাতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কি না, সেটিই নির্ধারণ হয় মর্ধবর্তী নির্বাচনে। এটার ওপর নির্ভর করে পরবর্তী দুই বছর কোন দল কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণ করবে এবং জাতীয় নির্বাচনে তার একটা প্রভাব থাকে।

 

প্রতিনিধি পরিষদ সদস্যদের মেয়াদ দুই বছর। ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের মোট ৪৩৫টি আসনেই ভোট হয়। উচ্চকক্ষ বা সিনেট সদস্যদের মেয়াদ ছয় বছর। প্রতি দুই বছর পরপর এই কক্ষের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে মেয়াদ পূর্ণ হ্ওয়ায় সেগুলোতে ভোট হয়। এবার সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে নির্বাচন হবে ৩৫টিতে। এরমধ্যে ৩৩টিতে মেয়াদপুর্তির নির্বাচন হবে। ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পদত্যাগে শূন্য হ্ওয়ায় এ দুটি আসনে উপ নির্বাচন। এ ছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর ও বিভিন্ন স্থানীয় পদের জন্যও ভোট দেবেন ভোটাররা।

 

বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ৪৩৫ আসনের মধ্যে বর্তমানে রিপাবলিকানদের দখলে ২১৮টি আসন, আর ডেমোক্র্যাটদের দখলে ২১৪টি আসন। প্রতিনিধি পরিষদে একজন স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া দুটি আসন শূন্য রয়েছে। ফলে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের এবার অন্তত চারটি আসন পেতে হবে।

 

অন্যদিকে সিনেটের ১০০ সদস্যের কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে সাধারণত ৫১টি আসন প্রয়োজন। বর্তমানে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের ৫৩ জন সদস্য রয়েছেন। আর ডেমোক্র্যাটদের সদস্য সংখ্যা ৪৫ জন। এ ছাড়া রয়েছেন দুজন স্বতন্ত্র সদস্য। এ কারণে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের চারটি আসন বাড়িয়ে ৫১টিতে পৌঁছাতে হবে। তবে ভোট সমান অর্থাৎ ৫০-৫০ হলে ভাইস প্রেসিডেন্টের একটি অতিরিক্ত ভোট দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। আর বর্তমান বাইক প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান দলের জে ডি ভানস। এবার সিনেটের ভোট হতে যা্ওয়া ৩৫টি আসনের মধ্যে ২২টি আসন ট্রাম্পের রিপাবলিকানদের এবং ১৩টি ডেমোক্র্যাটদের দখলে। ফলে ডেমোক্র্যাটদের নিজেদের ১৩টি আসন ধরে রাখার পাশাপাশি রিপাবলিকানদের দখলে থাকা কয়েকটি আসনও জিততে হবে।

 

সংবাদ বিশ্লষণ: পিন্টু হাজং, বার্তা সম্পাদক, একাত্তর টিভি