Dhaka , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
‘সেবাকাল-২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান, পবিত্র খ্রিষ্টযাগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‘সেবাকাল-২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান, পবিত্র খ্রিষ্টযাগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শুলপুর ধর্মপল্লীতে সোসাইটির শিক্ষা সেমিনার, নিজস্ব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূটি পালন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এ আই) ‘আমাদের প্রতিবন্ধকতা হল সত্যকে অনুধাবন করা।’ সোসাইটির বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি ধরেণ্ডায় ২৭তম বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাঝেই মোদির নতুন ঘোষণা অষ্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শুরু হয়েছে বিশ্ব ক্রেডিট ইউনিয়ন সম্মেলন

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

রিপোর্ট: নীড় সংবাদ ডেস্ক

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার (২০ জুলাই) রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের পর নতুন সরকার গঠন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিয়ার স্টার্মারের অধ্যায়ের অবসান হলো।

 

জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নিরঙ্কুশ বিজয় এনে দেওয়ার প্রায় দুই বছর পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়েছেন স্টার্মার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র ও লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বার্নহ্যাম। এ কারণে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামেও পরিচিত। এর আগে লেবার সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে মন্ত্রিসভার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

 

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বার্নহ্যামের সামনে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই ট্রাম্প তাকে ‘অত্যন্ত উদারপন্থী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

 

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। একদিকে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি রিফর্ম ইউকে সমর্থন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে গ্রিন পার্টি প্রগতিশীল ভোটারদের নিজেদের দিকে টানছে।

 

বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক ও কিয়ার স্টার্মারের পর দায়িত্ব নেওয়া বার্নহ্যামের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারলেই পূর্বসূরিদের তুলনায় দীর্ঘ সময় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে টিকে থাকতে পারবেন তিনি।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

Update Time : ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার (২০ জুলাই) রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের পর নতুন সরকার গঠন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিয়ার স্টার্মারের অধ্যায়ের অবসান হলো।

 

জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নিরঙ্কুশ বিজয় এনে দেওয়ার প্রায় দুই বছর পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়েছেন স্টার্মার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র ও লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বার্নহ্যাম। এ কারণে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামেও পরিচিত। এর আগে লেবার সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে মন্ত্রিসভার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

 

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বার্নহ্যামের সামনে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই ট্রাম্প তাকে ‘অত্যন্ত উদারপন্থী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

 

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। একদিকে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি রিফর্ম ইউকে সমর্থন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে গ্রিন পার্টি প্রগতিশীল ভোটারদের নিজেদের দিকে টানছে।

 

বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক ও কিয়ার স্টার্মারের পর দায়িত্ব নেওয়া বার্নহ্যামের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারলেই পূর্বসূরিদের তুলনায় দীর্ঘ সময় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে টিকে থাকতে পারবেন তিনি।

সূত্র: সিবিএস নিউজ