Dhaka , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আদৌ মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে সোসাইটির কর্মীদের অংশগ্রহণে দুদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন কুয়ালালামপুরে এশিয়ান ক্রেডিট ইউনিয়ন ফোরাম-২০২৬: বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ২৫ কোটি টাকার যে কৃষি প্রকল্পে সাফল্যের গল্প বানিয়ে বলতে হয় মাফিয়া গ্যাংয়ের হেনস্তার শিকার হওয়া প্রমাণ করে বাঁধন সঠিক পথে ছিলেন: তথ্য উপদেষ্টা শ্রদ্ধা ও প্রার্থনায় ঈশ্বরের সেবক আর্চবিশপ টি এ গাঙ্গুলীর ৪৯তম মহা প্রয়াণ দিবস পালিত ঈশ্বরের সেবক থিওটোনিয়াস অমল গাঙ্গুলীর ঊনপঞ্চাশতম মহা প্রয়াণ দিবস আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা মেসির ঢাকা বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের নবনিযুক্ত যুগ্ম নিবন্ধকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

রিপোর্ট: নীড় সংবাদ ডেস্ক

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার (২০ জুলাই) রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের পর নতুন সরকার গঠন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিয়ার স্টার্মারের অধ্যায়ের অবসান হলো।

 

জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নিরঙ্কুশ বিজয় এনে দেওয়ার প্রায় দুই বছর পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়েছেন স্টার্মার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র ও লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বার্নহ্যাম। এ কারণে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামেও পরিচিত। এর আগে লেবার সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে মন্ত্রিসভার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

 

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বার্নহ্যামের সামনে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই ট্রাম্প তাকে ‘অত্যন্ত উদারপন্থী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

 

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। একদিকে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি রিফর্ম ইউকে সমর্থন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে গ্রিন পার্টি প্রগতিশীল ভোটারদের নিজেদের দিকে টানছে।

 

বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক ও কিয়ার স্টার্মারের পর দায়িত্ব নেওয়া বার্নহ্যামের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারলেই পূর্বসূরিদের তুলনায় দীর্ঘ সময় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে টিকে থাকতে পারবেন তিনি।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

Update Time : ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার (২০ জুলাই) রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের পর নতুন সরকার গঠন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিয়ার স্টার্মারের অধ্যায়ের অবসান হলো।

 

জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নিরঙ্কুশ বিজয় এনে দেওয়ার প্রায় দুই বছর পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়েছেন স্টার্মার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র ও লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বার্নহ্যাম। এ কারণে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামেও পরিচিত। এর আগে লেবার সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে মন্ত্রিসভার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

 

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বার্নহ্যামের সামনে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই ট্রাম্প তাকে ‘অত্যন্ত উদারপন্থী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

 

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। একদিকে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি রিফর্ম ইউকে সমর্থন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে গ্রিন পার্টি প্রগতিশীল ভোটারদের নিজেদের দিকে টানছে।

 

বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক ও কিয়ার স্টার্মারের পর দায়িত্ব নেওয়া বার্নহ্যামের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারলেই পূর্বসূরিদের তুলনায় দীর্ঘ সময় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে টিকে থাকতে পারবেন তিনি।

সূত্র: সিবিএস নিউজ