Dhaka , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
‘সেবাকাল-২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান, পবিত্র খ্রিষ্টযাগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‘সেবাকাল-২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান, পবিত্র খ্রিষ্টযাগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শুলপুর ধর্মপল্লীতে সোসাইটির শিক্ষা সেমিনার, নিজস্ব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূটি পালন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এ আই) ‘আমাদের প্রতিবন্ধকতা হল সত্যকে অনুধাবন করা।’ সোসাইটির বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি ধরেণ্ডায় ২৭তম বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাঝেই মোদির নতুন ঘোষণা অষ্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শুরু হয়েছে বিশ্ব ক্রেডিট ইউনিয়ন সম্মেলন

ইরান ইস্যু নিয়ে ট্রাম্পের বৈঠক শেষ, অনিশ্চয়তার দোলাচলে শান্তিচুক্তি

রিপোর্ট: নীড় সংবাদ ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতা বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। আলোচকদের খসড়া প্রস্তাবে অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। সিদ্ধান্ত ছাড়াই সিচুয়েশন রুমের বৈঠক ত্যাগ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ফলে এখনো অনিশ্চয়তার দোলাচলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।

 

যদিও এখনো চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী হোয়াইট হাউস কর্মকর্তারা। তারা বারবারই বলছেন, চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে দু’পক্ষ।

 

অবশ্য ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, কোনো সমঝোতা স্মারকই চূড়ান্ত হয়নি। ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়, পরমাণু কর্মসূচি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের মতো ইস্যুতে এখনো রয়েছে দ্বিমত।

 

তবে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি উভয় দিকেই অবাধ নৌযান চলাচলের জন্য খুলে দিতে হবে এবং সেখানে পাতা সব মাইন অপসারণ ও ধ্বংস করতে হবে।

 

শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বড় ধরনের সংকট মোকাবিলায় ব্যবহৃত এই কক্ষে বৈঠকের আগে ইরান জানিয়েছিল, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। জবাবে ইরান ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

 

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগও একে অপরের বিরুদ্ধে তুলেছে দুই দেশ।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ইরান ইস্যু নিয়ে ট্রাম্পের বৈঠক শেষ, অনিশ্চয়তার দোলাচলে শান্তিচুক্তি

Update Time : ১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতা বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। আলোচকদের খসড়া প্রস্তাবে অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। সিদ্ধান্ত ছাড়াই সিচুয়েশন রুমের বৈঠক ত্যাগ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ফলে এখনো অনিশ্চয়তার দোলাচলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।

 

যদিও এখনো চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী হোয়াইট হাউস কর্মকর্তারা। তারা বারবারই বলছেন, চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে দু’পক্ষ।

 

অবশ্য ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, কোনো সমঝোতা স্মারকই চূড়ান্ত হয়নি। ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়, পরমাণু কর্মসূচি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের মতো ইস্যুতে এখনো রয়েছে দ্বিমত।

 

তবে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি উভয় দিকেই অবাধ নৌযান চলাচলের জন্য খুলে দিতে হবে এবং সেখানে পাতা সব মাইন অপসারণ ও ধ্বংস করতে হবে।

 

শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বড় ধরনের সংকট মোকাবিলায় ব্যবহৃত এই কক্ষে বৈঠকের আগে ইরান জানিয়েছিল, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। জবাবে ইরান ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

 

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগও একে অপরের বিরুদ্ধে তুলেছে দুই দেশ।

সূত্র: বিবিসি